জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের মানুষ জামায়াতকে রাষ্ট্র ক্ষমতার দায়িত্ব দিলে আমরা শাসক হবো না, সেবক হবো। সকল যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। এমনকি এমপি-মন্ত্রীরা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করবে না। তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে খুনি, চাঁদাবাজ, মাস্তানদের সঙ্গে নতুন ভোটারদের লড়াই হবে। সুতরাং যে তরুণরা ফ্যাসিবাদকে বিদায় করেছে সেই তরুণরাই আগামীতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে ভুল করবে না। তিনি শুক্রবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে পিআর পদ্ধতিসহ পাঁচ দফা দাবিতে ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্বরে অনুষ্ঠিত ছাত্র-যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার সকলের প্রতি আগামী নির্বাচনে ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে একটি নতুন মানবিক ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জামায়াত দেশ সেবার সুযোগ পেলে বেকার সমস্যা সমাধান করে সুখী-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে যা করার সেই পরিকল্পনা করবে।
নিজ নির্বাচনী এলাকা ডুমুরিয়া-ফুলতলার মূল সমস্যা জলাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জলাবদ্ধতার মূল কারণ হলো বিল ডাকাতিয়ার পানি নিষ্কাষণ না হওয়া। নির্বাচিত হলে বিল ডাকাতিয়াকে নিয়ে মহাপরিকল্পনা করা হবে। ডুমুরিয়া হবে ব্যবসায়িক হাব। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রাতিষ্ঠানের আমূল পরিবর্তনে গ্রহণযোগ্য পরিকল্পনা করা হবে। শিক্ষার্থীরা পাস করে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। যাদের চাকরি দেওয়া যাবে না তাদের বেকার ভাতা দেওয়া হবে। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা হবে।
ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুখতার হুসাইনের সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রশীদের পরিচালনায় ছাত্র-যুব সমাবেশে বক্তৃতা করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, খুলনা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা এমরান হোসাইন, জামায়াতের হিন্দু কমিটির ডুমুরিয়া উপজেলা সভাপতি কৃষ্ণনন্দী, সহ-সভাপতি ডা. হরিদাস মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ দেবপ্রসাদ প্রমুখ।






