ঢাকা   শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান
রেডিও বার্তানিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: উপজেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশ স্থিতিশীল থাকলে সম্পর্ক উন্নত হবে, আশাবাদী ভারতের ২ মুখ্যমন্ত্রী

Authorরেডিও বার্তা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম

বাংলাদেশ স্থিতিশীল থাকলে সম্পর্ক উন্নত হবে, আশাবাদী ভারতের ২ মুখ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে নতুন নির্বাচিত সরকার গঠনের পর ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত হবে-এমন প্রত্যাশা জানিয়েছেন ভারতের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ও জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। তাদের মতে, ‘স্থিতিশীল প্রতিবেশী থাকা ভারতের জন্য উপকারী’ এবং নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় দুই দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক গতি আনতে পারে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ত্রিপুরা রাজ্যের এক সরকারি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ‘বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এটি আমাদের সবার জন্যই ভালো খবর। আগামী দিনে যিনিই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিন না কেন, তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি আশা করি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দৃঢ় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ত্রিপুরার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, কারণ আমাদের রাজ্যের তিন দিকেই বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত। অতীতেও আমরা একটি শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভাগ করে নিয়েছি।’

দেশভাগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘দেশভাগের পর অনেক পরিবার বিভক্ত হয়ে পড়ে। আত্মীয়স্বজন সীমান্তের দুই পাশে বসবাস করতেন। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের নতুন সরকারের অধীনে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার ও আরও শক্তিশালী হবে, যা বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বের নতুন যুগের সূচনা করবে।’

অন্যদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ শের-ই-কাশ্মীর কৃষি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কৃষি প্রযুক্তি উৎসব ‘গোঙ্গুল’ উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো যত বেশি স্থিতিশীল হবে, ততই আমরা লাভবান হব। কেউই যুদ্ধ, সংঘাত বা অস্থিতিশীল প্রতিবেশী চায় না-তা সে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল বা অন্য যে কোনো দেশই হোক।’

তার মতে, ভারত চায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র বজায় থাকুক এবং দেশটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাক। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি নতুন সরকার গঠনের পর ভারত ও বাংলাদেশ তাদের সম্পর্ক উন্নত করবে, কারণ অতীতে এই সম্পর্কে কিছুটা তিক্ততা দেখা গিয়েছিল।’

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি ফোনে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন। যদিও ওই ফোনালাপে কী আলোচনা হয়েছে, তা জানা যায়নি।

শুধু ফোনালাপেই সীমাবদ্ধ থাকেননি তিনি। তারেক রহমানের গুলশান কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টিও পাঠান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘শুভনন্দন, আমার সকল ভাই-বোনদের, বাংলাদেশের সকল মানুষকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। তাদের সবাইকে আমার অগ্রিম রমজান মোবারক।’

এর আগে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। নির্বাচনে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর মোদি এক বার্তায় বলেন, ‘বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে নির্ণায়ক বিজয়ে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আমি তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। এই জয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার পরিচয় দেয়। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পক্ষে থাকবে এবং আমাদের বহুমুখী সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী।’

 

বার্তা বাজার/এমএমএইচ

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন