ঢাকা   শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রেডিও বার্তা
রেডিও বার্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: বিভাগীয় প্রধান
রেডিও বার্তানিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
খুঁজছি: উপজেলা প্রতিনিধি

‘নেট জিরো কার্বন এমিশন’ ধনী দেশগুলোর নতুন অর্থনৈতিক প্রতারণা: মৎস উপদেষ্টা

Authorনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৫২ পিএম

‘নেট জিরো কার্বন এমিশন’ ধনী দেশগুলোর নতুন অর্থনৈতিক প্রতারণা: মৎস উপদেষ্টা

‘নেট জিরো কার্বন এমিশন’ ধারণাকে ধনী দেশগুলোর নতুন অর্থনৈতিক প্রতারণা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, ‘ধনী দেশগুলো আসলে কার্বন নির্গমন কমাতে চায় না; বরং “নেট জিরো” ধারণার আড়ালে তারা নতুন প্রযুক্তি ব্যবসা ও করপোরেট মুনাফা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।’

শনিবার (১ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মোজাফফর চৌধুরী অডিটোরিয়ামে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত ‘ক্যাব যুব সংসদ-২০২৫’-এর সেশন-৭ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মৎস ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, ‘নেট জিরো ধনী দেশগুলোর একটা নতুন প্রতারণামূলক প্রস্তাব। এটা আসলে কমাবার প্রস্তাব নয়। তারা কার্বন নির্গমন কমাবে না, বরং কমানোর নামে নতুন প্রযুক্তির ব্যবসা করবে। যেমন দারিদ্র্য সৃষ্টি করে আবার দারিদ্র্য নিরসনের ব্যবসাও তারাই করে- ঠিক তেমনি কার্বন ব্যবসাও তাদেরই হাতে।’

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘নেট জিরো মানে হচ্ছে, তারা একদিকে কার্বন ছাড়বে, আরেকদিকে কার্বন কমানোর প্রযুক্তি বিক্রি করবে। এর মধ্য দিয়ে তারা এক ধরনের টেকনোলজিক্যাল ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ধনী দেশগুলো মূলত পরিবেশ নয়, নিজেদের অর্থনৈতিক প্রভাব টিকিয়ে রাখতেই এমন প্রস্তাব সামনে এনেছে।’

ফরিদা আখতার জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু কার্বন এমিশনের ক্ষেত্রে অপরাধী নই, বরং ভুক্তভোগী। অথচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও আমাদেরই নানা শর্ত মানতে হয়। ধনী দেশগুলো দায়িত্ব নিতে চায় না, বরং নানাভাবে দায় এড়িয়ে চলে।’

অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘দেশের খামারি ও মৎস্যচাষিদের বিদ্যুৎ বিলের ক্ষেত্রেও বৈষম্য আছে। কৃষকেরা যে রেটে বিদ্যুৎ পায়, খামারিরা তা পায় না। তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা কমার্শিয়াল রেটে বিল দিতে হয়, এটা অন্যায়।’

বিদ্যুতের অপচয় ও নগর-গ্রামের বৈষম্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকায় অকারণে যত বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়, ততটাই ঘাটতি থাকে গ্রামের মানুষের ঘরে। রাঙামাটির মতো এলাকায় দিনে পাঁচ-ছয়বার লোডশেডিং হয়, অথচ তাদের পাশের পাওয়ার স্টেশন থেকেই শত শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।’

বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ডাকসুর জিএস ও ঢাবি শিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ এবং ক্যাব যুব সংসদ এর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

নিয়োগ চলছে
সংবাদকর্মী আবশ্যক
রেডিও বার্তা টিমে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ুন
আরও সংবাদ লোড হচ্ছে...
✕
Radio Barta App Screen 1
Radio Barta App Screen 2
রেডিও বার্তার সব নিউজ পেতে ডাউনলোড করুন মোবাইল অ্যাপ
ক্লিক করুন