দ্বীর্ঘ ৩৫ বছরের প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে রাত পোহালেই অনুষ্টিত হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন। গতকাল সোমবার রাতেই শেষ হয়েছে প্রচারণা। বিশ্লেষকদের মতে কোন দলই পূর্ণ প্যানেলে বিজয় হওয়ার সম্ভাবনা কম হলে চমক দেখাতে পারে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ক্যাম্পাস জুড়ে নেয়া হয়েছে চার ধাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বুধবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সর্বশেষ ১৯৯০ সালে অনুষ্টিত হয়েছিলো চাকসু’র নির্বাচন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৮ জন। নারী ভোটার প্রায় সাড়ে ১১ হাজার, যা প্রায় ৪১ শতাংশ। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন ব্যবস্থা আছে মাত্র ৬ হাজার ৩২৮ জনের। এর মধ্যে ছেলেদের হলে আছে ৩ হাজার ৬৮৭টি আসন এবং মেয়েদের হলে ২ হাজার ৬৪১টি। সে হিসাবে মাত্র ২৩ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক। বাকি ৭৭ শতাংশই অনাবাসিক। এক্ষেত্রে অনাবাসিক ও নারী ভোটারের এই বিশাল সংখ্যা ভোটে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে পাহাড়ি ও সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। তাই মনে করা হচ্ছে, পার্বত্য রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানের উপজাতি শিক্ষার্থীদের ভোটও নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। এছাড়া সংখ্যালঘু, বৃহত্তর চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভোটও প্রভাবক হয়ে উঠতে পারে।
নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন ‘বার্তা বাজার’কে জানান, ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কমিশন। পাঁচটি অনুষদে হবে ভোটকেন্দ্র। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২টি করে মোট ৬০টি ভোটকক্ষ থাকবে। নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাস জুড়ে থাকছে ৪ ধাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভোটগ্রহণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভোটগ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া সরাসরি দেখাবে ক্যাম্পাস জুড়ে স্থাপন করা ১৪টি বড় এলইডি স্ক্রিনে। জালভোট রোধে ভোটার তালিকায় থাকছে শিক্ষার্থীদের ছবি ।






